কানাডা জব ভিসা ২০২৪ | ভিসা খরচ ও আবেদন করার নতুন নিয়ম

কানাডা জব ভিসা ২০২৪


আপনাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা দিন-রাত পরিশ্রম করে ঘন্টার পর ঘন্টা ইউটিউবে ভিডিও দেখেন কানাডা যাওয়ার জন্য। কিন্তু সঠিক গাইডলাইন হয়তো পাচ্ছেন না। তাদের জন্য আজকের এই "কানাডা জব ভিসা ২০২৪" পোস্ট টি। 


আপনার কাছে যদি দশটি ডকুমেন্টস না থাকে তাহলে কানাডায় যাওয়া আপনার পক্ষে প্রায় অসম্ভব। আর যদি সেটা ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে হয় তাহলে তো কোন কথাই নেই। তাই যারা কানাডায় যেতে চান তারা আজকের এই পোস্টে "কানাডা জব ভিসা ২০২৪" এবং "কানাডা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা" সম্পর্কে জানতে  পারবেন।


যদি এই সব ডকুমেন্টস আপনার থাকে অথবা এই সব ডকুমেন্টস আপনি ম্যানেজ করতে পারবেন বলে মনে হয় তাহলে কানাডা জব ভিসা বা কানাডা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সহজেই পেয়ে যাবেন।



কানাডা জব ভিসা ২০২৩





কানাডা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা ২০২৪


আজকের পোস্টটি আমি কানাডার সরকারি ওয়েবসাইট থেকে দশটি ডকুমেন্টস এর তথ্য বের করেছি। তার মধ্যে দুটি ডকুমেন্টস লাগবে কানাডা ওয়ার্ক পারমিট এর আবেদন করার জন্য আর বাকি আটটি ডকুমেন্টস লাগবে, আপনি যদি কানাডা ওয়ার্ক পারমিট পেয়ে যান তাহলে ওয়ার্ক পারমিট ভিসার আবেদন করার জন্য।




কানাডা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করতে হলে কি কি লাগবে?


প্রথমে চলুন জেনে নেই কানাডা ওয়ার্ক পারমিট এর জন্য আবেদন করতে হলে কোন দুটি ডকুমেন্টস আমাদের লাগবে। প্রথমে যে ডকুমেন্ট লাগবে সেটি হচ্ছে একটি কানাডিয়ান স্টাইল কাভার লেটার। আর দ্বিতীয় যেয়ডকুমেন্ট লাগবে সেটি হচ্ছে একটি সিভি। সেটিও হতে হবে কানাডিয়ান স্টাইল।


তাহলে কানাডা ওয়ার্ক পারমিট বা জব ভিসা করার জন্য আপনাকে দুটি ডকুমেন্টস লাগবে। ডকুমেন্টস দুটি হল:


  1. কভার লেটার
  2. সিভি



দায়সারা ভাবে একটি সিভি বা কাভার লেটার তৈরি করলে হবে না! এই সিভি বা কাভার লেটার তথ্য সমৃদ্ধ হতে হবে এবং দেখতে আকর্ষণীয় হতে হবে। আবার আপনাকে ফলো করতে হবে কানাডিয়ান স্টাইল।


ধরে নিলাম যে অনলাইনে আবেদন করে আপনি একটি কানাডা ওয়ার্ক পারমিট পেয়েছেন এখন আপনার প্রয়োজন হবে কানাডায় যাওয়ার জন্য একটি ওয়ার্ক পারমিট ভিসার। আর সেই ওয়ার্ক পারমিট  ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে কানাডিয়ান এম্বেসি বরাবর। আর এই কানাডার এম্বেসি বরাবর ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার জন্য আপনার প্রয়োজন পড়বে ৮টি ডকুমেন্ট।



এখন আমি একে একে ওই ৮টি ডকুমেন্টস নিয়ে আলোচনা করব। আশা করি  আপনারা খুব মনোযোগ সহকারে আজকের পোস্টটি পড়বেন।



কানাডা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা



কানাডা জব ভিসা প্রসেসিং


১.পাসপোর্ট


প্রথমে যে ডুকুমেন্টস টা লাগবে সেটা হচ্ছে আপনার পাসপোর্ট। মনে রাখবেন আপনার পাসপোর্ট এর মেয়াদ থাকতে হবে 6 মাস। ছয় মাসে বলতে বুঝাচ্ছি মিনিমাম মেয়াদ থাকতে হবে 6 মাস আর যদি ম্যাক্সিমাম থাকে তাহলে সবচেয়ে ভালো।



২.দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি


কানাডায় জব ভিসা বা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদনের জন্য দ্বিতীয়ত যে ডকুমেন্ট লাগবে সেটি হচ্ছে আপনার দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি। ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড হবে সাদা। আর এই ছবি গুলো প্রিন্ট করে নিবেন ম্যাট পেপারে।



৩.শিক্ষাগত যোগ্যতা বা Educational Certificate 


তৃতীয় যে ডকুমেন্ট লাগবে সেটি হচ্ছে  Educational Certificate বা শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র। আপনাদের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে একমাত্র ক্যানাডিয়ান D ক্যাটাগরির ভিসা ছাড়া সব প্রোগ্রাম এর শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে। তাই যারা  বিভিন্ন সময় প্রশ্ন করেন আমারতো শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই আমি কি কানাডা'র জন্য আবেদন করতে পারবো কিনা।


তাদের উত্তরে বলব শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়া আপনি শুধুমাত্র ক্যানাডার D Category ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। অন্যান্য ক্যাটাগরিতে আবেদন করতে হলে অবশ্যই আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট এর প্রয়োজন হবে। 


তারা সাধারণত বলে থাকেন কানাডা ডি ক্যাটাগরি ভিসার ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে না। কিন্তু তারা এর সাথে একটি শর্ত জুড়ে দিয়েছে সেটি হচ্ছে আপনাকে ইংরেজি বুঝতে হবে ইংরেজিতে বলতে পারতে হবে। এখন আপনি চিন্তা করে দেখুন যে ইংরেজি বলতে পারে ইংরেজি বুঝতে পারে সে কি কখনো অশিক্ষিত হতে পারে?


এসব বিষয়ে না জেনে আপনারা আবেদন করে সময় নষ্ট করা থেকে বিরত থাকুন।প্রথমে দেখুন আপনার সত্যিকার অর্থেই ক্যানাডার বিভিন্ন প্রোগ্রামে আবেদন করার জন্য যোগ্যতা আছে কিনা।


এই পোস্ট আমি সেই কারণেই তৈরি করেছি যাতে আপনাদের অযথা সময় নষ্ট না হয় আপনার এই পোস্ট পড়ে উপলব্ধি করতে পারেন যে আপনি কানাডা যাওয়ার যোগ্য কিনা এবং কানাডা জব ভিসা প্রসেসিং সম্পর্কে।


আরো পড়ুন....



৪.অভিজ্ঞতার সনদপত্র


চতুর্থ যেই ডকুমেন্ট লাগবে কানাডা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার জন্য সেটি হচ্ছে আপনার অভিজ্ঞতার সনদপত্র।আপনি অনলাইনে আবেদন করে কানাডা ওয়ার্ক পারমিট পেয়েছেন সেই ওয়ার্ক পারমিটের সংশ্লিষ্ট কাজের অভিজ্ঞতা আপনার আছে কিনা সেটা আপনাকে প্রমাণ দিতে হবে।


মনে রাখবেন কানাডা জব ভিসার কিছু কিছু ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতার সনদপত্র না লাগলেও আপনাকে অবশ্যই এক বছরের অভিজ্ঞতা দেখাতে হবে এই বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য।তাই আমি আপনাদেরকে বলবো যে অভিজ্ঞতার কোন বিকল্প নেই।যাদের কাজের অভিজ্ঞতা আছে তারা কানাডা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক অনেক এগিয়ে থাকবেন।


আপনাদের মধ্যে অনেকেই আমাকে প্রশ্ন করতে পারেন যে আমার পাশের বাড়ির অমুক কত বছর কানাডা ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে গিয়েছে তার তো কোনো অভিজ্ঞতা ছিলনা!


এক্ষেত্রে  বলব সে অবশ্যই কোন না কোনভাবে এক বছরের কাজের অভিজ্ঞতা দেখিয়েছি সেটা হয়তো আপনি জানেন না।


পাসপোর্ট চেক করার নিয়ম ২০২৪

৫.ফিনান্সিয়াল রিসোর্স বা ব্যাংক ব্যালান্স


ফিনান্সিয়াল বা আপনার ব্যাংক ব্যালান্স দেখানোর জন্য আপনাকে একটা ব্যাংক স্টেটমেন্ট করতে হবে। কানাডায় আপনি আপনার ফ্যামিলি নিয়ে যাবেন ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিয়ে। কোনো কারণে যদি আপনি কোন ডিফিকাল্টি পরিস্থিতি পড়েন তাহলে আপনি যেন ক্যানাডায় আপনার পরিবারের ভরণপোষণ দিতে পারেন সেই কারণে আপনাকে একটি ফান্ড দেখাতে  হবে।


আপনার ব্যাংকে পর্যাপ্ত পরিমাণ টাকা থাকতে হবে যাতে কানাডায় আপনি আপনার ফ্যামিলি নিয়ে খুব স্মুথলি ওখানে লাইফ লিড করতে পারেন।



যদি আপনার ব্যাংক ব্যালান্স দেখানোর বা পর্যাপ্ত অর্থের সমস্যা থাকে তার জন্য একটি মাত্র বিকল্প প্রোগ্রাম এই মুহূর্তে আছে। সেটি হচ্ছে এসআইএনপি প্রোগ্রাম 21A2 । এখানে কোন ফান্ড দেখাতে হয় না। এখনে ব্যাংক ব্যালান্স দেখাতে হয় না।


তখি  তাদের ব্যাংক ব্যালেন্সের সমস্যা আছে যাদের পর্যাপ্ত পরিমাণে টাকা নেই তারা আগে থেকেই চোখ কান খোলা রেখে ওই প্রোগ্রামের জন্য আবেদন করবেন যেই প্রোগ্রামে কোন ফান্ড করতে হয় না।



৬.স্বাস্থ্য পরীক্ষার সনদপত্র


ষষ্ঠ নাম্বার যে ডকুমেন্ট লাগবে সেটি হচ্ছে আপনার স্বাস্থ্য পরীক্ষার সনদপত্র। কানাডার নির্ধারিত হেলথ চেকআপ সেন্টারে আপনাকে হেলথ ছেকআপ করতে হবে এখানে তারা দেখবে আপনি কাজের জন্য ফিট কিনা।আপনার কোন বড় রকমের রোগ আছে কিনা যেগুলো কাজের ক্ষেত্রে অন্তরায় হতে পারে। হেপাটাইটিস বা অন্য কোন  ছোঁয়াচে রোগের আক্রান্ত কিনা।


কেউ যদি মনে করেন যে আমার এসব রোগ আছে বাট আমি টাকা পয়সা দিয়ে একটা হেল্থ সার্টিফিকেট ম্যানেজ করে ক্যানাডা চলে যাব, তাহলে সেটি সম্পূর্ণ রূপে একটি ভুল ধারণা। 




৭.ভিসা পে রশিদ


সপ্তম যে ডকুমেন্ট লাগবে সেটি হচ্ছে আপনি যে ভিসা ফি জমা দিয়েছেন সেই ভিসা ফি জমা দেওয়ার রশিদ। প্রমাণ ছাড়া কোন কথা নেই! সো আপনাকে টাকা জমা দেওয়ার রশিদ  সাথেই রাখতে হবে।



৮.পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট


কানাডা জব ভিসা পাওয়ার জন্য অষ্টম যে বিষয়টি লাগবে সেটি হচ্ছে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট। আপনাকে প্রমাণ করতে হবে আপনি আপনার নিজ দেশে গুরুতর কোন অভিযোগে অভিযুক্ত নয়। আপনি যে ক্রাইম এর সাথে জড়িত নয় এর সব প্রমাণ স্বরূপ অবশ্যই আপনাকে একটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নিতে হবে।


অনেকে  প্রশ্ন করে থাকেন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট কোথা থেকে নিব? আপনার থানা বা পুলিশ স্টেশনে আবেদন করে আপনাকে এই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নিতে হবে।


অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নেওয়া যায় নির্দিষ্ট ফি পরিশোধ করে।যদি আপনি অনলাইনে পারদর্শী হন তাহলে আপনার সংশ্লিষ্ট থানায় যেতে হবে না আপনি অনলাইনে পেয়ে যাবেন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট।


কানাডা যেতে কোথায় মেডিকেল চেকআপ করাতে হয়

আসুন তাহলে জেনে নেই কানাডার মেডিকেল সেন্টার সম্পর্কে। প্রথমেই জানতে হবে বাংলাদেশের কোন কোন মেডিকেল সেন্টারে কানাডা সরকারের অনুমোদন আছে। এছাড়া কখন মেডিকেল রিপোর্ট চাওয়া হয় এবং মেডিকেল ফি জেনে নিতে পারেন। বাংলাদেশে শুধু ৩টি মেডিকেল সেন্টারের অনুমোদন আছে। সেগুলো হলো- ১. ডক্টর ওয়াহাব মেডিকেল সেন্টার, হাউস-০৩, রোড-১২, বারিধারা, ঢাকা-১২১২। টেলিফোন: ০২-৯৮৪৭৫৫৩, ৯৮৪৩৪৩৯। ২. গ্রীন ক্রিসেন্ট হেলথ সার্ভিস, ৬০ পার্ক রোড, বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোন, ঢাকা-১২১২। টেলিফোন: ০২-৫৮৮১৭৩৩৫, ৯৮৬২৩৮৪।৩. আইওএম মাইগ্রেশন হেলথ অ্যাসেসমেন্ট ক্লিনিক, ১৩/এ, গ্রাউন্ড ফ্লোর, রোড-১৩৬, গুলশান-০১, ঢাকা-১২১২। এরপর জানতে হবে কখন অ্যাম্বাসি থেকে মেডিকেল করতে বলা হয়। আপনার ফাইল ভিএফএসে (ঢাকা) জমা দেয়ার সর্বোচ্চ ২৪-৭২ ঘণ্টার মধ্যে কানাডা হাই কমিশন, সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। একটি ফাইল প্রসেস করতে বর্তমানে ১৬-২৬ দিন সময় লাগে। ফাইল প্রসেসিং অবস্থায় কানাডিয়ান হাই কমিশন, সিঙ্গাপুর আপনার ই-মেইলে (আবেদনপত্রে যে ই-মেইল) মেডিকেল ফর্ম (এক্সামিনেশন রেফারিয়াল লেটার, আইএমই) পাঠাবে। আপনাকে বাংলাদেশে অবস্থিত কানাডা সরকার অুনমোদিত যে কোন একটি মেডিকেল থেকে হেলথ চেকআপ করে ভিএফএস ঢাকার মাধ্যমে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হবে। কানাডার এই মেডিকেলকে ইলেক্ট্রনিক মেডিকেলও বলা হয়। আসলে কোন কোন ভিসার জন্য মেডিকেল করতে হয়? এ ক্ষেত্রে জব ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা, মেডিকেল ভিসা ও ইমিগ্র্যান্ট ভিসার জন্য মেডিকেল রিপোর্ট চাওয়া হয়। আপনি শারীরিক ও মানসিকভাবে কতটা উপযুক্ত তা নির্ণয় করার জন্যই মেডিকেল রিপোর্ট চাওয়া হয়। মেডিকেল ফি কানাডা সরকার নির্ধারিত। বয়স্কদের জন্য (১৪-৪৯) ৪৮,০০ টাকা। ১১-১৪ বছরের শিশুদের জন্য ৩,৩৫০ টাকা এবং ১১ বছরের নিচে শিশুদের জন্য ৩,২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সাধারণত এক্স-রে ও টিবি (যক্ষ্মা) চেকআপ করা হয়। তবে একটি কথা মনে রাখবেন, কানাডায় প্রি-মেডিকেল বলে কিছু নেই।


কানাডা ভিসা আবেদন ফরম ২০২৪

এখন কানাডা ভিসা আবেদন ফরম সম্পর্কে আলোচনা করা হবে। ১৮০ দিনেরও কম কানাডা ভ্রমণকারীদের জন্য মার্কিন নাগরিকদের ভিসা লাগবে না। অন্যান্য ধরণের ভ্রমণের (যেমন, কাজ, অধ্যয়ন বা অভিবাসনের জন্য) সাধারণত ভিসা প্রয়োজন। ভিসা বিভাগ এবং প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্যের জন্য, নাগরিকত্ব এবং ইমিগ্রেশন কানাডা (সিআইসি) ওয়েবসাইটের পরামর্শ নিন।


ফৌজদারি রেকর্ড সহ যে কেউ (অপকর্ম বা অ্যালকোহল সম্পর্কিত ড্রাইভিং অপরাধ সহ) কোনও পরিকল্পিত ভ্রমণের আগে আগে পুনর্বাসনের অনুমোদন না নিয়ে কানাডায় প্রবেশ করতে পারবেন না। আপনি অগ্রহণযোগ্য হতে পারেন এবং কীভাবে এই অনুসন্ধানটি কাটিয়ে উঠতে পারবেন তা নির্ধারণ করতে, দয়া করে সিআইসির ওয়েবসাইটটি দেখুন।


কানাডায় প্রবেশ সম্পূর্ণ কানাডার আইন অনুসারে কানাডার বর্ডার সার্ভিস এজেন্সি (সিবিএসএ) কর্মকর্তাদের দ্বারা নির্ধারিত হয়।

কানাডা ভিসা ক্যাটাগরি কত প্রকার ও কি কি?

বর্তমান সময়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরির কানাডা ভিসা পাওয়া যায়। আর সেই ভিন্ন ক্যাটাগরি কানাডা ভিসা গুলোর তালিকা নিচে উল্লেখ করা হলো। যেমন,

  • কানাডা কৃষি ভিসা
  • কানাডা ইমিগ্রেশন ভিসা
  • কানাডা শিক্ষা ভিসা
  • কানাডা ফ্রি ভিসা
  • কানাডা টুরিস্ট ভিসা
  • কানাডা শ্রমিক ভিসা
  • কানাডা চাকরি ভিসা
  • কানাডা মেকানিক্যাল ভিসা
  • কানাডা লেবার ভিসা
  • কানাডা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

কানাডা ভিসা আবেদন ফরম হেল্প লাইন

  • ফ্রি ক্যারিয়ার কাউন্সিলিং ।
  • সঠিকভাবে ভিসা প্রসেসিং ।
  • প্রি-ডিপার্চার ট্রেনিং।
  • অভিজ্ঞ কাউন্সেলরের জব ভিসা প্রসেস করা হয়।
  • আমাদের কোন প্রকার হিডেন চার্জ নেই।
  • দ্রুত সময়ে অফার লেটার প্রদান ।


কানাডা ভিসা আবেদন ফরম পুরণ করতে কি কি ডকুমেন্টস লাগবে?

  • পাসপোর্ট এর Information Page এর স্কান কপি।
  • ফটোগ্রাফ (8 কপি ব্যাকগ্রাউন্ড সাদা (Size 35″x 45″) অথবা সফট্ কপি।
  • সার্টিফিকেট: সকল শিক্ষা সনদের স্কান কপি।
  • অভিজ্ঞতার সনদ পত্র।

কানাডা ভিসা খরচ ২০২৪

এখন আমরা তোমাদেরকে জানানোর জন্য চেষ্টা করব কানাডা যাওয়ার জন্য কত টাকা খরচ হতে পারে এবং যাওয়ার জন্য কত টাকা লাগতে পারে বিষয়টি আমি সুন্দরভাবে নিচে লিস্ট করে দিচ্ছি যাতে তুমি খুব সহজে বুঝে নিতে পারো।

কানাডা কৃষি ভিসা5 লক্ষ টাকা
কানাডা কাজের ভিসা7 লক্ষ টাকা
কানাডা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা5 লক্ষ টাকা


আরো পড়ুন



আজকের পোস্টে আমি যেই ডকুমেন্ট গুলোর কথা বললাম এগুলো ছাড়া কানাডা জব ভিসা বা ক্যানাডার ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়ার খুবই কঠিন। আপনারা যারা কানাডা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা প্রসেস করতে চান তারা চোখ কান খোলা রাখুন।


এই সব ডকুমেন্ট আপনার আছে কিনা অথবা আপনি প্রয়োজনে ম্যানেজ করতে পারবেন কিনা যদি পারেন তাহলে কেবল আপনি কানাডা ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।


8/Post a Comment/Comments

  1. আমি আপনার সাথে কথা বলতে চাই সেটা কি ভাবে সম্ভব

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. আমি কানাডা জাওয়ার জন্য আগরহি আপনারা কী সহজোগী তা করবেন

      মুছুন
  2. আমি আপনার সাথে কথা বলতে চাই সেটা কি ভাবে সম্ভব

    উত্তরমুছুন
  3. কিভাবে কাজ করবো সে বিষয় এ একটু সাহায্য করেন

    উত্তরমুছুন
  4. আপনার সংগে যোগাযোগ করতে চাই

    উত্তরমুছুন

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন